উপরে যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন, সেটা আমরা বিএমই ‘১৮ এর সবাই মিলে আঁকিয়েছিলাম ২০১৯ সালে। এই ডিপার্টমেন্ট থেকে আমি আমার আন্ডারগ্র্যাড সম্পন্ন করি ২০২৪ সালে এসে। এই দীর্ঘ ৫ বছরে অনেক স্মৃতি জমা হয়েছে আমার মাথায়। এই স্মৃতি গুলো ধূসর হয়ে যাওয়ার আগেই তাই সব কিছু লিখে রাখতে চাই কোথাও। ভাবছি ৪ পর্বে লিখব, প্রতি বর্ষের জন্য একটি করে ব্লগ। আজকে তার প্রথম কিস্তি।
এডমিশন
কুয়েট বিএমই তে কিভাবে এলাম তাও এক বিশাল কাহিনি। সেই কাহিনিতে বেশি মনযোগ দিব না, কারণ সেটা এখন অপ্রয়োজনীয়। সংক্ষেপে যদি বলি তাহলে, ২০১৮ সালে যখন ভর্তি পরীক্ষা দিচ্ছিলাম, তখন ঢাবি, রুয়েট আর কুয়েটে আমার মোটামুটি ভালো পজিশন ছিল। তবে সব থেকে ভালো পজিশন ছিল কুয়েটেই। ভেবেছিলাম সিএসই আসবে। তাই প্রথম সিএসই দিয়ে পরে ইইই দেই। এরপর একদিন “এডমিশন গ্রুপ” গুলোতে সাবজেক্ট রিভিউ দেখে কি মনে করে বিএমই ৩ নাম্বারে দিয়ে দিলাম। বাসা থেকে অনেক বার না করার পরও তেমন একটা পাত্তা না দেওয়ার ফল আজকের এই অবস্থা। তা নাহলে আমার যে পজিশন ছিল তাতে খুব সহজেই কুয়েট মেকানিক্যাল চলে আসত।
ওরিয়েন্টশন - ২০১৯
এখন কুয়েটের সম্পর্কে বেসিক কিছু জ্ঞান দিয়ে শুরু করি, তাহলে কাহিনি বুঝতে সুবিধা হবে। প্রতি বছর HSC পরীক্ষার পর বাংলাদেশের ভার্সিটি গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। একজন স্টুডেন্ট যে বছরে HSC দিয়েছে তার সাল অনুযায়ী কুয়েটে ব্যাচের নাম করা হয়। আমরা যেহেতু ২০১৮ সালে HSC পরীক্ষা দিয়ে কুয়েটে ভর্তি হয়েছি, তাই আমাদের ব্যাচ ১৮। আর যেহেতু ডিপার্টমেন্ট বিএমই তাই আমরা নরমালি বলতাম বিএমই ‘১৮।
কুয়েটে ভর্তির পর আমাদের ব্যাচের অরিয়েন্টেশন হয় ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ সালে। দিনটি ছিল বৃহঃস্পতি বার। আর ক্লাস শুরু হয় ২৭ জানুয়ারি রবিবার, কারণ কুয়েট শুক্র, শনি বন্ধ থাকে।
আমরা যখন ভর্তি হই তখন কুয়েট বিএমই তে প্রতি ব্যাচে ৩০ জন করে ভর্তি হত। কিছু ব্যতিক্রম বাদে, এইদিনই প্রথম সবাইকে এক সাথে দেখি। দেখা হওয়ার পর ধীরে ধীরে পরিচয় হয় সবার। ফেসবুকের কল্যাণে মোটামুটি সবার সাথেই কম বেশি কথা হয়েছে মেসেঞ্জার গ্রুপে। অরিয়েন্টেশনের পর ছেলেদের সবাইকে সিঙ্গারা খাওয়াতে নিয়ে গেল তায়েফের মামা। তায়েফ ছিল প্রথম বর্ষে সব থেকে সক্রিয় ছেলে গুলার মাঝে একজন। সিনিয়রদের সাথে ক্যাম্পাসে আসার আগেই হেভি খাতির দেখে আমরা অনেকেই অবাক হয়েছিলাম। সিঙ্গারা খাওয়ার পর তায়েফ আমাদের সবাইকে নিয়ে গেল, বিএমই ‘১৭ ব্যাচের কিছু সিনিয়রের সাথে দেখা করতে। তারা এসে অনেক জ্ঞানগর্ভ আলোচনার পর ফিরে গেলাম নিজের বাসায়।
কুয়েটে দুইটা অরিয়েন্টেশন হয়। একটা সেন্ট্রাল যেখানে সবার এক সাথে হয়। এরপর হয় ডিপার্টমেন্টাল। প্রতি ডিপার্টমেন্টে আলাদা আলাদা করে হয়। ওইদিন বিকালেই ছিল আমাদের ডিপার্টমেন্টাল অরিয়েন্টেশন। এই অরিয়েন্টেশনের পরও বড় ভাইদের হালকা জ্ঞান গ্রহণ করে চলে যাই খুলনা শহরে পিংকি আপুর বাসায়।
ডেইলি কুয়েটের শুরু
ঘটনা সামনে যাওয়ার আগে আমার মেসে কে কে আছে তার বিবরণ দেওয়া দরকার। মেসে আমরা চার জন ছিলাম
রনি (সিএসই)
রিয়াদ (ইসিই)
সোহান (ইএসই)
আর আমি
আমাদের অরিয়েন্টেশন আর ক্লাস শুরুর মাঝে ২ দিন বন্ধ ছিল। আর এই দুই দিন আমার ব্যাচের ছেলেদের জন্য খুবই ইভেন্টফুল গেছে। কারণ ছিল পরিচয় পর্ব। আমি প্রথম দুইদিন খুলনায় এক আত্মীয় এর বাসায় থাকায় এই সব মিস করে গেছিলাম। আমি খুলনা থেকে ব্যাক করি শনিবার বিকালে। বিকালে বাসায় গিয়ে সবার সাথে কথা বলে শুনলাম রনি আর সোহান আগের রাতে ৪ টা পর্যন্ত হলে ভাইদের ইন্টারটেইন করে আসছে।
মোস্ট প্রোবাবলি ওইদিন বিকালেই আমরা ছেলেরা সবাই হলে গেলাম এবং হলের ভাইদের পরামর্শে সবাই ২ মিলিমিটার করে চুল কেটে বাসায় ফেরত গেলাম। এভাবে চুল কাটার দুইটা সুবিধা হলো, এক ক্যাম্পাসের সবাই বুঝত আমরা ফার্স্ট ইয়ার আর দুই আগে যারা পরিচিত ছিলাম প্রথম দেখায় একজন আরেকজনকে চিনতাম না। বড় ভাইদের বিনা মূল্যে জ্ঞানদান অবশ্য ১ম বর্ষের মাঝামাঝির পর থেকে অনেকাংশেই কমে যায়। বছর শেষ হওয়ার সাথে সাথে একবারে জিরো হয়ে যায়।
এরপর শুরু হলো নিয়মিত ক্লাস আর ল্যাব। কিন্তু আমার মন নাই বিএমই তে। সিএসই পড়ার খুব আগ্রহ ছিল। সাবজেক্ট না পাওয়াতে মন ছিল খুব খারাপ। ক্লাসে যেতাম, এরপর আবার সাথে সাথে রুমে ফিরে ঝিম ধরে থাকতাম। এইভাবেই চলতে থাকে আমার প্রথম সেমিস্টার। এই বাজে অবস্থা থেকে আমি বের হয়ে আসি আজমাইনের বাসায় আমার যাতায়াত শুরুর পর থেকে।
RS মঞ্জিল
কুয়েটের কাছেই একটা বাসা তার নাম RS মঞ্জিল। এই RS মানে কি জানা নাই। এখানেই আজমাইন থাকত। একদিন ওর সামনের দাড়ায়া বেশ কিছুক্ষণ জ্ঞান গর্ভ আলোচনা করলাম বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ব্যাপারে। যদিও এখন দুইজনই সরকারি চাকুরির চেষ্টা করে যাচ্ছি। তারপর থেকে ওর বাসায় যাওয়া শুরু করি আমি সহ পিয়াস (রোলঃ ১৯), স্বপন (রোলঃ ২৭)। তবে স্বপন অনিয়মিত ছিল। শুরুতে অবশ্য বেশি যাওয়া হত না। মাঝে মাঝে পিয়াস কিছু রান্নার প্ল্যান করলে আজমাইনের রুমে গিয়ে রান্না করে খাওয়া হত। এর মাঝে একদিন আরিয়ান (রোলঃ ২১) আমাদের সাথে যোগ দেয়। আরিয়ান থাকত এমন একটা রুমে যার ভিতর দিবে ফ্ল্যাটের বাকি সবার যাতায়াত করতে হত। এই অবস্থায় আরিয়ান কিভাবে এডাল্ট ফিল্ম দেখে এই নিয়ে স্বপন খুব পিনিক নিচ্ছিলো। সাথে আমরা ৩ জন ছিলাম। এই পিনিকটা আরিয়ান নিতে পারে নাই। রাগে আরিয়ান পরের দুই বছর আর আমাদের সাথে ঠিকমত কথা বলে নাই।

তখনো আজমাইনের বাসায় আমাদের যাতায়াত সীমিতই ছিল। এই অবস্থার পরিবর্তন হয় যখন রাশেদ (রোলঃ ২২) RS মঞ্জিলে এসে উঠে। রাশেদরে আমরা সবাই “বন্ধু” বলে ডাকি। তাই এরপর থেকে বন্ধু নাম থাকলে রাশেদ ধরে নিবে। রাশেদ কুয়েটের প্রথম সেমিস্টার খালার বাসায় থেকে পড়াশোনা করছে। এরপরে সে কুয়েটের পাশে এসে মেসে উঠে আমাদের সাথে। বন্ধু ছিল RS মঞ্জিলের যক্ষের ধনের মত। ওরে ঘিরেই সব আড্ডা চলত আমাদের। এরপর খুলনা থেকে আরেকজন RS মঞ্জিলে যুক্ত হয় রিফাত (রোলঃ ২৯)। ওই ও শুরুতে খুলনা বাসা ভাড়া নিয়ে থেকে রেজাল্টে ধরা খেয়ে খুলনার বাসা ছেড়ে আমাদের সাথে যুক্ত হয়।
রিফাতরে প্রথম দেখায় একটা সহজ সরল ছেলে বলে মনে হবে। বন্ধু রাশেদও তাই ভাবছিল। কিন্তু বন্ধু ভুলটা বুঝতে পারে একদিন বিকালে। ওইদিনই রিফাত খুলনা থেকে বাসা চেঞ্জ করে কুয়েটে আসছে। বিকালে বন্ধুর (রাশেদ) রুমে গিয়ে বলে,
ফাহিম (রোলঃ ৮) ত সেকেন্ড টাইম দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে চান্স পেয়ে চলে যাচ্ছে
এরপর সাথে সাথে ফাহিমকে ফোন দিয়ে বন্ধুর কানে ফোন ধরায়া দেয়। রাশেদ ভালো মানুষের মত, অভিনন্দন জানায় আর দুঃখ প্রকাশ করে যে, কয়দিনের মাঝেই ফাহিমের চলে যেতে হবে দেখে। কিন্তু আসলে ঘটনা ছিল পুরোটাই বানোয়াট। এটা বুঝতে রাশেদের সন্ধ্যা পর্যন্ত লাগছে। এভাবেই রিফাতের RS মঞ্জিলের যাত্রা শুরু।
আমি কিন্তু কখনোই RS মঞ্জিলে পার্মানেন্টলি থাকি নাই। আমার রুটিন ছিল বৃহঃস্পতিবার ক্লাস/ল্যাব শেষ করে আজমাইনের রুমে যাওয়া। এরপর দুইদিন ঐখানে থেকে শনিবার বিকালে নিজের বাসায় ফেরত যাওয়া। এর মাঝের দুই দিন পুরা হাওয়ার উপর চলত আমাদের। RS মঞ্জিলের পার্মানেন্ট মেম্বার ছিল রিফাত, রাশেদ আর আজমাইন। আর বাইরে থেকে যেতাম আমি আর পিয়াস (রোলঃ ১৯)।

RS মঞ্জিলের এই সময়টা ছিল আমাদের ২ সেমিস্টার। পড়াশোনা বাদে সবই করতাম আমরা। দেখা যেত হাসাহাসি করতে করতে বাড়ির মালিকের ছেলে এসে আজমাইনকে বলতেছে, এত চিল্লাচিল্লি করা যাবে না। আমরাও হালকা চুপ হয়ে থাকি কিছুক্ষণ। তখন হালকা শীত পড়ে যাওয়ায় গভীর রাতে বের হয়ে যাই কুয়েটে ঘুরাঘুরি করতে। ফিরে আসার সময় পরোটা খেয়ে এসে ঘুম। মাঝে মাঝে সকালে উঠে খেজুরের রস খেতে ভৈরব চলে যেতাম। তখন কুয়েটে যে কি চলত তা নিয়ে আমরা ৫ জন কিছুই জানতাম না। জানার চেষ্টাও করি নাই।
সুন্দরবন ট্যুর
এখন কুয়েট সম্পর্কে আরেকটা সাধারণ জ্ঞান দিয়ে রাখি, তাহলে পরে সুবিধা হবে। কুয়েটে প্রতি বর্ষে দুইটা করে সেমিস্টার। প্রতি বর্ষের সেমিস্টার গুলোকে এই ভাবে প্রকাশ করে, ১-১, ১-২, ২-১…৪-২। আমরা তখন ১-২ তে। খুলনা ভর্তির পর থেকেই সবাই জিজ্ঞাসা করত সুন্দরবন গেছি নাকি। এই সুযোগ আসে এই সময়টাতে। বিএমই ‘১৭ এর আয়োজনে আমরা প্রায় সবাই গেলাম সুন্দরবন। জীবনে ট্যুর বলতে এটাই প্রথম। লঞ্চে করে ৩ দিন পানির উপরে থাকা। কোন নেটওয়ার্ক নাই। একটু পর পর কিছু স্পটে নামায়। ঘুরে দেখার পর আবার লঞ্চে উঠে বসে থাকা। এরমত আরামের ট্যুর আসলে হয় না।

ট্যুরে অনেক ঘটনার মাঝে একটা ঘটনা সবার নজর কাটে। সেই ঘটনার নায়ক আমাদের সাজ্জাদ (রোলঃ ১৪)। সাজ্জাদ এখন পর্যন্ত মোটামুটি ৩ টা খাট ভাঙছে। এর মাঝে ফাহিমের একটা, নিজের একটা আর লঞ্চের একটা খাট। লঞ্চের লোহার খাটের উপরে সাজ্জাদ বসার সাথে সাথে ভেঙ্গে নিচে পড়ে গেছে।

আমরা শীতকালে সুন্দরবন গেলেও, সুন্দরবন যায়গাটা বেশ গরম। তাই আমরা দিনের বেশির ভাগ টাইম কাটাতাম লঞ্চের ছাদে। ওখানে সবাই আড্ডা দেওয়া থেকে শুরু করে খাওয়া দাওয়া সবই করা হত।

এডমিশন - ২০১৯
আমাদের ১-২ এর মাঝামাঝি সময়ে ১৯ ব্যাচের এডমিশনের ডেট পড়ে। আমাদের সময় কুয়েটের কালচার ছিল, প্রতি ডিপার্টমেন্টের একটা করে স্ট্রিট পেইন্ট করতে হবে। আর স্টল করতে হবে অভিভাবকদের বসার জন্য। আমরাও তাই করি। কিন্তু এই স্ট্রিট পেইন্ট নিয়ে হয়ে যায় তুমুল একটা হাঙ্গামা। স্ট্রিট পেইন্টের জন্য কুয়েটের ভেতর সব ডিপার্টমেন্ট একটা করে যায়গা ধরবে। কিন্তু আমরা যে যায়গায় করতে চাচ্ছিলাম এটায় মেকাট্রনিক্স ডিপার্টমেন্ট আগে থেকেই ধরে বসে ছিল। কিন্তু আমাদের কিছু ছেলেও ওই যায়গায় ছাড়বে না। এই নিয়ে হালকা তর্ক বিতর্কের মাঝেই স্ট্রিট পেইন্ট যেদিন করা হবে সেদিন ওদের সাথে আমাদের হেভি মারামারি হয়ে যায়। পরে অবশ্য হলের ভাইরা এসে ওই যায়গায় কালো কালি করে দিয়ে জিনিসটা মিমাংসা করে।

ভর্তি পরীক্ষার কাহিনি শেষ হওয়ার পর বিএমই ‘১৭ ব্যাচের ভাইরা আমাদের খেতে নিয়ে যায়। এটাই কালচার এখানকার। খাওয়া দাওয়া করে ভর্তি পরীক্ষার দুইদিনের হাঙ্গামার সমাপ্তি হয়।

Annual Hall Feast
কুয়েটের সব থেকে সুন্দর জিনিস আমার কাছে লাগে এই এনুয়াল হল ফিস্টকে। ১-২ দিনের বিশাল আয়োজন। সারাদিন খাওয়া-দাওয়া আর হলকে পুরো বিয়ে বাড়ির মত সাজানো হয়। সাধারণত বছরের শুরুতে এটা আয়োজন করা হয়। প্রথম হল ফিস্টে ভয়ে ভয়েই ছিলাম। কিন্তু ২০২০ সালের শুরুরটায় হেভি মজা করছিলাম সবাই মিলে। খাওয়া দাওয়া করার পর সবাই মিলে একটা ছবি তুলেছিলাম। এটাই মনে হয় আমাদের ছেলেদের প্রায় সবাই রয়েছে এমন একটা ছবি। ২০ জনের মাঝে ১৮ জন ছিলাম (এক জন ছবি তুলছিল সেই হিসাবে ১৭ জন)।

১ম বর্ষের শেষে
ভার্সিটির প্রথম বর্ষের পর যথারীতি ২য় বর্ষের ক্লাস শুরু হয়। এরপর মুল সমস্যা বাধে করোনার বন্ধ এসে। প্রায় ২ বছরের মত ক্যাম্পাস বন্ধ ছিল। যদিও অন লাইনের ক্লাস চলছিল। মানুষের সাধারণত ভার্সিটি লাইফের শুরু হয় ব্লাস্ট দিয়ে পরে আস্তে আস্তে কমে যায়। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে হয়েছিল উল্টা। আমরা শুরু করেছিলাম একবারে ঝিম মেরে, কিন্তু ধীরে ধীরে রঙিন হতে থাকে। পরের বছর গুলোর কাহিনি হয়ত সামনে কোনদিন বলবো।
ততদিন বিদায়।
- নিলয় (বিএমই ‘১৮)